শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন

/ ছড়া
তা তা ধিন, তা তা ধিন আজ রহীমের জন্মদিন। তা তা ধিন, তা তা ধিন ভালো থেকো চিরদিন। তা তা ধিন, তা তা ধিন জীবন হোক মধুর, রঙিন। তা তা বিস্তারিত...
শারদোৎসবে ঢাক বাজাব না পালটিয়ে দেব পুজোর ভোল এইবারে চোখে চোখ রাখব গর্জে উঠবে ধামসা ঢোল আমরা আসব কার্তিকমাসে ঝরলে ঝরুক মাথায় হিম ফসল আগলে রাখব আমরা বাজিয়ে মাদল দ্রিদিম্
এস এ শামীম -এর একগুচ্ছ প্রেমের ছড়া  কঠিন মায়া লিখছি তোমায় অলস হাতে তন্দ্রহারা গভীর রাতে ঘুমে ছাওয়া ডুবো
পরীক্ষা শেষ, এবার হাতে মাসখানেকের ছুটি বাবা বললেন মাকে ডেকে, “এবার চলো উঠি।” আমি বললাম, “না না, বাপি, উটি অনেক দূর এবার চলো সেই যেখানে আকাশ-সমুদ্দুর!” “কোথায় সেটি!” বাবা বললেন,
আমড়া গাছের ঝোঁপের ভিতর মৌমাছিদের বাসা, মাঝখানে তার প্রকাণ্ড এক চাক রয়েছে খাসা। তাই না দেখে শেয়াল মশাই মধু খাওয়ার তরে, সেই পথেতে সকাল বিকাল আনাগোনা করে। রাত্রি বেলায় মৌমাছি
দাদখানি চাল, মুসুরির ডাল, চিনি-পাতা দৈ, দু’টা পাকা বেল, সরিষার তেল, ডিমভরা কৈ। পথে হেঁটে চলি, মনে মনে বলি, পাছে হয় ভুল; ভুল যদি হয়, মা তবে নিশ্চয়, ছিঁড়ে দেবে
এলাটিং বেলাটিং– পড়াশোনা বাদ দিয়ে সারাদিন খেলাটিং? মারামারি শুরু হলে মেরেছিস ঢেলাটিং? এলাটিং বেলাটিং… স্ট্যান্ড আপ! বাড়ি কই? নোয়াখালী জেলাটিং! এলাটিং বেলাটিং… ক্লাশজুড়ে হইচই গুঁতোগুতি ঠেলাটিং! এলাটিং বেলাটিং… অংকে লাড্ডু
ভারতের চাল মসুরের ডাল নিত্য ডিজেল পাচ্ছি অঢেল মরিচ-পেঁয়াজ পাচ্ছিই আজ রঙচঙে শাড়ি কত রকমারি পাই কম দামে থাকি বদনামে রোগ হলে যাই সোজা চেন্নাই কতকিছু আর পাই বেশুমার দিল্লি