শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
শিশির ভেজা ঘাসের ডগায়
মুক্তা – মানিক ঝরে,
হিমশীতল ঐ নানান দেশে
বরফ টুকরো পড়ে।
ঠান্ডা ঠান্ডা বের হয় জান্ ডা
কাঁপে শীতে ঠকঠক,
সাত সকালে ভাপা পিঠায়
খেজুর গুড়ের মন্ডা মিঠাই
খাওয়ার জেগেছে শখ!
কত্ত রকম পিঠা পুলি
ঠান্ডা পানির কর্ণফুলী।
সাত সকালে দেখি,
ঠান্ডা পানি, মায়ের বকুনি
কবিতায় তাই লেখি!
কাঁপে ঠকঠক, ফাটে ত্বক
যত্ন নেবো শরীর,
দেখো দেখো জ্বর এসেছে
পাশের বাড়ির পরীর।
শীতের পোশাক পড়ো সবাই
খোকা – খুকুর দলে,
ঠান্ডা – সর্দি থেকে বাঁচবো
বিভিন্ন কৌশলে!
শীতের ঋতু শীতের ঋতু
বৈচিত্র্যতা বাড়ায়,
নানান সবজি,
শক্ত করে কব্জি।
খেয়ে-
রোগগুলো সব তাড়ায়!
২.শীতের দিনে
শীতের দিনে সকাল বেলা
সূর্যিমামা কই যে,
খোকন সোনা পড়ছে এখন
লেপের তলে বই যে!
শীতের মুড়ি কাঁথা মুড়ি
কোন দেশ থেকে এলে,
ভিন দেশ থেকে আসছে পাখি
দেখো ডানা মেলে।
খেজুরের রস আনছে দাদু
গাছে থেকে পেড়ে,
শীতের দিনে সর্ষে ফুলে
মৌমাছি যায় বেড়ে!
শীতের দিনে পিঠা-পুলি
নানান সবজি মাঠে,
শিশির ভেজা ঘাসের ওপর
খোকন সোনা হাঁটে।
শীতের রাতে মাহফিল হয়
করমদীর ঐ গাঁয়ে,
যাচ্ছে সবাই দলে দলে
রহমতের ছায়ে।
শীতের দিনে মুড়কি কিনে
খোকা -খুকু খাচ্ছে,
শীতের দিনে শীতের দিনে
কাঁপুনিতে যাচ্ছে।
ঠান্ডা পানি পেরেশানি
চলাফেরা দায় যে,
তবু সবাই গরমের শেষে
শীতের ঋতু চাই যে।
শীতের দিন কুয়াশায় মোড়া
কাজে-কামে কষ্ট,
শীতের দিনে হচ্ছে সবার
ত্বকগুলো যে নষ্ট।
“তাই তো সবাই যত্নে থাকুন
সকল নিয়ম মেনে,
শীতের দিনে সকল তথ্য –
নিজে রাখুন জেনে!;
৩. শীত নামে
শীত নামে দুখীর কুটিরে
শীত নেমেছে গাঁয়ে,
কুয়াশা মাখা ভোর দেখো
শিশির ভেজা পায়ে।
শীত নেমেছে পাড়ায় পাড়ায়
শীত নামে শহরে,
শীত নেমেছে রাস্তার পাশের
টোকাই দের বহরে।
শীত নেমেছে ছন্নছাড়া
ঘরছাড়া মানুষের
শীত নামে ঋতু বদলের –
মাঘের আর ঐ পৌষের!
শীত নেমেছে বাংলা জুড়ে
সকল থানা – জেলায়,
শীতের রাতে জবুথবু
যাচ্ছে সবাই মেলায়!
যাদের নেই কো শীতের পোশাক –
পথে থাকে যারা,
“সবাই তাদের পাশে দাঁড়াই,
মানবতার ধারা!”
“শীতের পোশাক বিলিয়ে দেই,
সার্মথ্য নেই যাদের,
অর্থ যাবে না কবরে-
জানাচ্ছি আপনাদের।”
“সাহায্য করুন সবাইকে
দুখী মানুষ যারা,
পথে ঘাটে ঘুমায় ওরা –
শীতের পোশাক ছাড়া!”
“দেই কম্বল আর দেই সুয়েটার
কিংবা কিনে চাদর,
অসহায় মানুষগুলোকে –
করুন আজ সমাদর!”
শীত নামে বাংলাদেশ জুড়ে
বলছে খোকা হেসে,
শীতের ঋতু শীতের ঋতু
সবাই ভালোবেসে ।
শীতার্তদের পাশে দাঁড়াই
শীত নামের ঋতুতে,
রোগ- বালায়ে কাউকে যেন –
না পারে যে ছুঁতে।
“শীত নামে ঐ হাওয়ায় হাওয়ায়
হিমালয়ের হিমে,
ত্বকের নেবো যত্ন সবাই-
মুখ-ঠোঁট ফাটা ক্রীমে!”
৪.শীতের বুড়ি
শীতের বুড়ি শীতের বুড়ি
খেজুর গাছে হাঁড়ি,
শীতের বুড়ি শীতের বুড়ি
যাচ্ছে সবার বাড়ি।
ঠান্ডা পানি পেরেশানি
সকাল বেলায় লাগে,
স্কুল যাবার সময় হলে
খোকা রা না জাগে!
মিষ্টি রোদের খুঁজছি আবেশ
সূর্যিমামা নাই রে,
কুয়াশাতে মোড়া চারপাশ
পথ চেনা হয় দায় রে।
গরম শেষে বাংলাদেশে
শীতের বুড়ি আসে,
কনকনিয়ে কাঁপছে সবাই
শীতের বুড়ি হাসে।
মসুরি আর কলাই ফুলে
শীতের বুড়ি নাচে,
সর্ষের ফুলের মধু খেয়ে
মৌমাছিরা বাঁচে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...