রবিবাবু আমি তোমাদের সেই সাধারণ মেয়ে তুমি যে আমাকে নিয়ে অনেক লিখেছ সাধারণ মেয়েদের দুঃখে ভরা কিস্যা কবিতা ‘যে দুর্ভাগিনীকে দূরের থেকে পাল্লা দিতে হয় অন্তত পাঁচ-সাতজন অসামান্যার সঙ্গে- অর্থাৎ
উইপোকা খেয়েছে ধীরে ধীরে ঘর দোর আসবাব বড় পাইকড় গাছ টির গোড়ায়, কিছু শিকড় বেরিয়ে পড়েছে ক্রমাগত এই চক্রে, কীটনাশক অবলুপ্ত, অব্যবহারে অপচয়ে আমার অভিমানে রক্তকোষ কাঁপে, একবার কে হাতটা
প্রার্থনা যখন ফিরে আসে নিরুত্তর তখন নিশ্চিত জানি ঝড়ের আঘাতে ভেঙেছে পাখির ঘর আমিও নিশ্চিত জেনো ভাঙা ঘর দেখে নিদারুণ অভিমানে প্রতিবাদ করে যাবো আকাশে বাতাসে ভাষাহীন ব্যাকরণে আমার ভাষাটি
ঘুমাতে চাই না আর কখনো এখন কোনদিন ঘুমালেই হাঙরের ক্ষুধার্ত হা-মুখ বলে, আছি কর্মহীন; ঘুমের ভিতরে মৃত্যু আমায় তাড়িয়ে নিয়ে যায় যেন বিভীষিকাময় অচেনা মৃত্যুউপত্যকায় সেখানে অসংখ্য পাথরের খণ্ড ধাবমান