শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন

/ কবিতা
একাত্তরের মা-জননীর মতো পাণ্ডুলিপি মহাকাব্য তার দুর্বার-‘না’ আধিপত্য আর দখলদার বিরোধি ‘না’-তার গদির আয়ু খেয়ে করে নাস্তি; আজকের নয় জাতবাঙালির কঠোরতর-‘না’ আভিজাত্য বৈষম্যকে ‘না’ ছিল ‘বঙ্গালী’ ভুসুকু’র চোয়ালসার জিন্নাহ্র চোখেমুখে বিস্তারিত...
রবিবাবু আমি তোমাদের সেই সাধারণ মেয়ে তুমি যে আমাকে নিয়ে অনেক লিখেছ সাধারণ মেয়েদের দুঃখে ভরা কিস্যা কবিতা ‘যে দুর্ভাগিনীকে দূরের থেকে পাল্লা দিতে হয় অন্তত পাঁচ-সাতজন অসামান্যার সঙ্গে- অর্থাৎ
দেয়ালে আটকে গেছে আস্ত দুপুর রোদের নরুন আঁটা মেয়ে পালিয়েছে আধখানা ভুট্টার ক্ষেতে তিতিরের ডাক শুনে বাড়িয়েছে ছায়াহাত ঘুমের কৃষক, তুমিও তুলছো হাই আজ তবে নেই কোনো দোয়েল উৎসব? মেনকার
উইপোকা খেয়েছে ধীরে ধীরে ঘর দোর আসবাব বড় পাইকড় গাছ টির গোড়ায়, কিছু শিকড় বেরিয়ে পড়েছে ক্রমাগত এই চক্রে, কীটনাশক অবলুপ্ত, অব্যবহারে অপচয়ে আমার অভিমানে রক্তকোষ কাঁপে, একবার কে হাতটা
প্রার্থনা যখন ফিরে আসে নিরুত্তর তখন নিশ্চিত জানি ঝড়ের আঘাতে ভেঙেছে পাখির ঘর আমিও নিশ্চিত জেনো ভাঙা ঘর দেখে নিদারুণ অভিমানে প্রতিবাদ করে যাবো আকাশে বাতাসে ভাষাহীন ব্যাকরণে আমার ভাষাটি
ঘুমাতে চাই না আর কখনো এখন কোনদিন ঘুমালেই হাঙরের ক্ষুধার্ত হা-মুখ বলে, আছি কর্মহীন; ঘুমের ভিতরে মৃত্যু আমায় তাড়িয়ে নিয়ে যায় যেন বিভীষিকাময় অচেনা মৃত্যুউপত্যকায় সেখানে অসংখ্য পাথরের খণ্ড ধাবমান
মন-মহাজন বড়ো উচাটন, ভিতরে দহন, বাইরে শীত; মরমে বয় সাঁইয়ের বাণী, বাহিরে রবীন্দ্র-সংগীত। খাঁচার ভেতর অচিন পাখি, আটকে আছে গভীর পাঁকে; আসমানি রং ধরল না সে, দালান-কোঠার মায়ার বাঁকে। শহর
শুন্যতায় থাকে পূর্ণতার আহবান সুখ খুঁজে পেতে দুঃখের জানান, কাছের আকাশটা ধুলোয় ধূসর বিষন্ন শহরে পায়রা ওড়াই   পান্ডুলিপি ফাঁকা পড়ে থাকে জোড় শালিকের আশ্রয় নেই পার্ক, দালান, চত্ত্বরগুলো বাঁচার