শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন

/ কবিতা
এ শরীর ছুঁতে চাওনি।শুধু মন ছুঁয়েই তৃপ্ত তুমি।গার্হস্থ্য ব্যস্ততায় তোমাকে মনে রাখিনা আধিকাংশিক ,তবুও পূজার ফুলটি রেখে যাও নিয়মিত।মাঝে সাঝে সে ফুলটি তুলে দেখি —কী নিপুণ ভালোবাসায় তুলে আনো বৃন্ত বিস্তারিত...
একটা পুরোনো চশমা পড়ে আছে টেবিলে, কাচে ধুলো নেই, আছে সময়ের দাগ। কেউ ছুঁয়ে দেখে না, তবু সবাই জানে – ওটা কেবল চশমা নয়, একটা দৃষ্টি। মোটা ফ্রেমের ভেতর দিয়ে
রজতাভ আবেগ এক পাশে রাখি, অভিমান করবার আগে অধিকার আছে নাকি ভাবি ! অনুরূপ প্রশ্ন অনুরণিত করে অনুচিত দীর্ঘ দিবস কিংবা রাতকে, অকারণে সংবাদ হয়ে উঠে কচি পাতা আটকে গেছে
বেঁচে থাকা অনর্থক, জীবনের কোনো মানে নেই তবু তার প্রতীক্ষায় কেটে যায় একটি সকাল মন বলে তার ওষ্ঠে আছে জীবনের পরমার্থ। সবুজ উদ্ভিদ আমি ইচ্ছে যার নীলিমাভ্রমণ যদিও যুগল ডানা
তোমাকে ভালোবেসে মেটেনি আশা,মিটলো না সাধ; জীবনের মাঠ জুড়ে … বুনোলতার মত কাঁটাময় অবসাদ। কেন গেলে চলে দূরের দূর? কি এত অভিমান? কি বল অনুরাগ? আমার কি ছিল– কোন কিছু
বাঁশঝাড়ের ঐ মাথায় যখন লাল সূর্য থাকে রাত তাড়িয়ে সকাল এসে হাসি মুখে দাঁড়ায়, টুনটুনি আর মৌটুসিরা কিচির মিচির ডাকে তখন আমার মনটা কেবল টুঙ্গিপাড়া হারায়।   ভর দুপুরে ভেসে
সেটা ছিল বাইশে শ্রাবণ, একটি স্কুলে গেছি রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে কিছু বলতে। ছোটরা তাদের উৎসুক চোখ নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে, হঠাৎ মনে হলো, কি বলব – যা বলব তাই যদি এদের কাছে
তোমার আয়ত্বে কী আছে অন্ধ আলোর পাশাপাশি! চোরা প্রতিহিংসার দয়ালু বিদ্যুৎশিখা পোয়াতি মায়ের ফোঁপানো কান্নার কষ্টসুখ ব্যর্থ কামনার ক্রীয়াহীন বিষ বৃষ্টির প্রাণবীজের পরাগের আভা নাকি সুপ্ত বাসনার কড়া নাড়া… এখানে