শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন

/ কবিতা
হরমুজ থেকে হিমালয়… আণবিক প্রাকৃতিক এ কেমন বিকৃতি ও কুকৃতির ভয়? এ কেমন দুষ্কৃতিতে পর্যুদস্ত তোমার আমার এই মানবসময়? মানুষ, তবে কি সজ্ঞানে প্রাণে প্রাণে সর্বপ্রাণে নাই কোনো সহজ নিষ্কৃতি? বিস্তারিত...
সকালের সূর্য উঠেছে ঠিকই, কিন্তু ইচ্ছেরা তখনও জেগে নেই- তারা শুয়ে আছে অন্ধকার ঘরে জানালার পর্দা টেনে রাখা স্বপ্নের নিচে। যে সকাল জাগায় সবাইকে, আমাকে নয়, কারণ আমার সকাল তো
অনেক দিনের পুরনো কোন কথা নয়, দ্বিতীয় প্রহরে তোমার আমার প্রথম আলাপচারিতা। কথার পিঠে কথা তৃতীয় প্রহরের সূচনায়- ঝিঝি পোকারা বার্তা সংস্থায় নিঝুম তিমির রাত্রিতে শোনায় সতর্ক বাণী। আলোক জ্বালায়
একটা পুরোনো চশমা পড়ে আছে টেবিলে, কাচে ধুলো নেই, আছে সময়ের দাগ। কেউ ছুঁয়ে দেখে না, তবু সবাই জানে – ওটা কেবল চশমা নয়, একটা দৃষ্টি। মোটা ফ্রেমের ভেতর দিয়ে
রজতাভ আবেগ এক পাশে রাখি, অভিমান করবার আগে অধিকার আছে নাকি ভাবি ! অনুরূপ প্রশ্ন অনুরণিত করে অনুচিত দীর্ঘ দিবস কিংবা রাতকে, অকারণে সংবাদ হয়ে উঠে কচি পাতা আটকে গেছে
বেঁচে থাকা অনর্থক, জীবনের কোনো মানে নেই তবু তার প্রতীক্ষায় কেটে যায় একটি সকাল মন বলে তার ওষ্ঠে আছে জীবনের পরমার্থ। সবুজ উদ্ভিদ আমি ইচ্ছে যার নীলিমাভ্রমণ যদিও যুগল ডানা
তোমাকে ভালোবেসে মেটেনি আশা,মিটলো না সাধ; জীবনের মাঠ জুড়ে … বুনোলতার মত কাঁটাময় অবসাদ। কেন গেলে চলে দূরের দূর? কি এত অভিমান? কি বল অনুরাগ? আমার কি ছিল– কোন কিছু
বাঁশঝাড়ের ঐ মাথায় যখন লাল সূর্য থাকে রাত তাড়িয়ে সকাল এসে হাসি মুখে দাঁড়ায়, টুনটুনি আর মৌটুসিরা কিচির মিচির ডাকে তখন আমার মনটা কেবল টুঙ্গিপাড়া হারায়।   ভর দুপুরে ভেসে