সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৬:৩২ অপরাহ্ন

/ প্রধান রচনা
বাংলাভাষার নামজাদা কবি শামসুর রাহমানের এই সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেন প্রখ্যাত সাংবাদিক, শিক্ষক ও রাজনীতিবিদ নূরজাহান মুরশিদ। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় এদেশ একাল পত্রিকার ১ম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যায়, ১৯৮৬ সালে। উল্লেখ্য, বিস্তারিত...
দুঃখ থেকে সৌন্দর্যের অভিযাত্রা আরিফ নজরুল :  বাংলা কবিতার সমকালীন পরিসরে এমন কিছু কবি আছেন, যাঁরা নিরবচ্ছিন্ন সাহিত্যচর্চা, সাংস্কৃতিক নেতৃত্ব এবং মানবিক জীবনবোধের মাধ্যমে নিজেদের স্বতন্ত্র অবস্থান নির্মাণ করেছেন। কবি
বাচ্চু তুমি, বাচ্চু তুই, চলে যাও, চলে যা সেখানে ছেচল্লিশ মাহুতটুলীর খোলা ছাদে। আমি ব্যস্ত, বড়ো ব্যস্ত, এখন তোমার সঙ্গে, তোর সঙ্গে বাক্যালাপ করার মতন একটুও সময় নেই। দুঃসময়ের মুখোমুখি
শামসুর রাহমান কবি। বিশ্বজনীনতার বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল তাঁর কবিতা। তিনি আজীবন কবিতার সাধনা করে গেছেন। কবিতার সাধক তিনি। ত্রিশের নতুন যে-কাব্যভাষা বাংলা কবিতায় নতুন নির্মাণের পথ সৃষ্টি করেছিল তার ধারাবাহিকতা বজায়
আউট বই। মাত্র দুইটা শব্দ। একটা ইংরেজি, আর একটা বাংলা। এই শব্দযুগলের মাঝে লুকিয়ে রয়েছে এক ধরনের রহস্যময়তার হাতছানি। কেমন যেন নিষিদ্ধ নিষিদ্ধ একটা ভাব। চোখের সামনে ভেসে ওঠে লুকোচুরির
আধুনিকতা একটি আন্দোলন, যা ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে পশ্চিমা দুনিয়ায় সুদূরপ্রসারী সাংস্কৃতিক প্রবণতা ও পরিবর্তনের সাথে সাথে উত্থান ঘটে। এটি প্রতিটি মানুষের আত্মসচেতনাকে প্রাধান্য দেয়, যদিও মূলত এটি একটি চিন্তাকাঠামো।
মুহম্মদ নূরুল হুদা একপল থেকে অষ্টপ্রহর; তারপর দিন, পক্ষ, মাস, ঋতু ও বছর। মোটামুটি এই প্রকৃতিসম্মত বহমানতায় সময় সতত বিন্যস্ত হয়েছে বাঙালির নবায়নপ্রবণ চেতনায়। বাঙালির আদি-কব্জিতে বাধা ছিল না কোন