কবিতা যখন কেবল ব্যক্তিমানুষের অনুভবের আয়না নয়, হয়ে ওঠে একটি জাতির ইতিহাস, আত্মপরিচয় ও অস্তিত্বের ভাষা—তখন সেই কবিতার ভুবনে উচ্চারিত হয় কিছু অনন্য নাম। বাংলা সাহিত্যে মুহম্মদ নূরুল হুদা তেমনই বিস্তারিত...
সেই ১৯৯৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সময় ভর্তি সহায়ক পুস্তিকায় এবং কোচিং সেন্টারের প্রশ্নপত্রে নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন ছিলো—জাতিসত্তার কবি কাকে বলা হয়? তখন থেকে কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার নামের সাথে চেনাজানা
(প্রথম পর্ব) বাংলা সাহিত্যের আকাশে পঞ্চাশের দশক এক অবিস্মরণীয় যুগান্তরের সাক্ষী, যে যুগে রবীন্দ্র-নজরুল বা জীবনানন্দ দাশের সুদীর্ঘ ছায়া পেরিয়ে একদল তরুণ কবি নিজেদের স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর প্রতিষ্ঠার স্পর্ধায় মেতে উঠেছিলেন।
১৯৬৪ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন আমীরুল ইসলাম। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে শিশুদের জন্য গল্প, ছড়া, কবিতা ও নানা ধরনের সৃজনশীল লেখা লিখেছেন তিনি। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক।
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ। একাধারে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ছড়া, প্রবন্ধ প্রভৃতির মাধ্যমে তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যকে করেছেন সমৃদ্ধ। এছাড়া বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে অনেক সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন তিনি।
‘… গদ্য চলে যুক্তির সঙ্গে পা মিলিয়ে, আর কাব্য নাচে ভাবের তালে তালে; গদ্য চায় আমাদের স্বীকৃতি; আর কাব্য খোঁজে আমাদের নিষ্ঠা। রেখার পর রেখা টেনে পরিশ্রান্ত গদ্য যে
খালেদ হোসাইন : প্রতিকৃতি : তানভীর মালেক একটি কবিতার দুটি অংশ থেকে কিছু অংশ বর্ণনা করছি কবি শামসুর রাহমানের, তাহলে তাঁর কবিতার একটি স্বভাব আমরা সহজেই অনুভব করতে পারব। নতুন