শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
শাপলা ফোটা বিল ছিল এক জলথইথই করা
ফুলের সঙ্গে করত খেলা জলমুরগির ছানা
কলমিলতার ঝোপও ছিল জলে নুয়ে পড়া
বিলের সঙ্গে নীল আকাশের ভাব ছিল একটানাÑ
এইখানে এইখানে।
একটা ছিল ছোট্ট পুকুর, গাছ ছিল চারপাশে
সেসব গাছে কতই ছিল পাখির আনাগোনা
হিরের টুকরো রোদগুলো সব গড়িয়ে যেত ঘাসে
বিকেলবেলার পুকুর দেখে মন হতো আনমনা–
এইখানে এইখানে।
খেলার যে মাঠ, সেটি ছিল নরম ঘাসে ছেয়ে,
সেখানটাতে আমরা কজন আড্ডা দিতাম কত
বিকেল হলেই জুটত পাড়ার সকল ছেলেমেয়ে
সন্ধে হলে ভিড় করত জোনাক শতশত
এইখানে এইখানে।
জংলাডুরে শাড়ি পরা একটা ছিল বাড়ি
সেই বাড়িটার উঠোন ছিল রোদ্দুরে টানটান,
রাতের বেলা জ্যোৎস্না নিয়ে হত কাড়াকাড়ি
গভীর রাতে শোনা যেত নিমপেঁচাদের গান–
এইখানে এইখানে।
খাল পেরোবার সাঁকো ছিল হাটবাজারে যেতে
সবাই যখন ছুটত কেবল এইদিকে ওইদিকে
আমি নিজের মুখ দেখতাম জলেতে চোখ পেতে
হচ্ছে হত সেই সাঁকো নিই নিজের নামে লিখে–
এইখানে এইখানে।
সুবর্ণগ্রাম নামে আমার ছোট্ট সে গ্রামখানি
এইখানে কি ছিল? নাকি ভুল করেছি পথে?
ভুল হলে হোক, শুধরে নেবার কায়দা আমি জানি
এইখানে নয়, সবই খুঁজে পাব ভবিষ্যতে–
ওইখানে ওইখানে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...