যতদূর বাংলা ভাষা, ততদূর এই বাংলাদেশ। দরিয়ানগরে জন্ম, পৃথিবীর সর্ব প্রান্ত আমার স্বদেশ।। এ বাংলার হাটে মাঠে, ধানীরং কিষাণীর বাটে, দিগন্তের মেঠোপথে, সাধু সন্ত অথবা বখাটে নদী ও নারীর বাঁকে বিস্তারিত...
আজকাল শব্দরা আর দেয় না ধরা, কবিতার আখরগুলো বেপাড়াতে, আমি তাই গান বাঁধি না আগের মতো, আকাশে চাঁদ খুঁজি না নিশুত রাতে। তোমাদের আকাঙ্ক্ষারা উড়ছে যখন , আমাদের চৌকাঠে ঘূণ
একবার পরাজিত হলে পুনর্বার পরাজিত হব এই ভয় থাকে না আমার জন্মেই মৃত্যুর কোলে রেখেছি শৈশব কুৎসিত রোগের হাতে বিকিয়েছি সুন্দরের স্বপ্ন আরাধনা মায়ের পাণ্ডুর মুখ মিমিষেই দূরান্বয়ী হলে জন্মসূত্রে
সব শালার চরিত্রই আমার জানা আছে, এবং সব শালাই খাঁটি হারামজাদা; বললেন আক্কেল আলী এবং বললেন : যতদিন যাচ্ছে সব শালাই বাঞ্চোতে পরিনত হচ্ছে এবং খুবই দুঃখের বিষয় সব শালাই
অবনী বাড়ি আছো অবনী বাড়ি আছো দুয়ার এঁটে ঘুমিয়ে আছে পাড়া কেবল শুনি রাতের কড়ানাড়া ‘অবনী বাড়ি আছো?’ বৃষ্টি পড়ে এখানে বারোমাস এখানে মেঘ গাভীর মতো চরে পরাঙ্মুখ সবুজ নালিঘাস
আমাদের সময়ের এক বহুমাত্রিক স্রষ্টা শেখ রবিউল হক। আজ তাঁর আশিতম জন্মদিন। তিনি সতত সৃষ্টিশীল থাকুন। শুভ জন্মদিন রবিউলভাই। নন্দনলোকের পুত্র মুহম্মদ নূরুল হুদা মুহূর্তে মুহূর্তে তুমি হিজরত করো, দেশে
তুমি ঘুমাচ্ছো, আমি ঘুমাচ্ছি আমাদের ভাতঘুমে বা চাঁদঘুমে একটি স্বপ্ন একটি কুমারী ধানখেত। যে ধানখেতের ধানে ধানে ধানের স্তনে স্তনে ধানদুধ, আমরা সেই ধানের দুধ দিয়ে চা খাব। দ্বিপাক্ষিক ঘুমঘ্রাণে
আস্থা বনে হার মানা শেয়াল, হুক্কাহুয়া ডেকে নামালো চিবুকের খেয়াল ! সেদিন আলোচনা সভা বেচেছিল যারা, আজ মজলিসের বিশেষ অতিথি তারা ! তুমি কিংবা আমি বৃথা বাক্যের বাতাসচক্রে , আজ