বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
বেগ্গুনেরতন সেরা
চাটগাঁয়ের পোয়া আই
ঢাকায় চাকরি গরি
ঢাকাত চাকরি গইজ্যিও
মোন থাহে গাত পড়ি।
আঁর গাঁওর মাইনষের হথা
বড্ড মনে ফরে,
মনত হরদে বেগগুণ ফেলাইয়ি
চলি যাই নিজর ঘরে।
আঁর বাড়ি- আঁর গাঁঁ
চির হব্বুজে ঘেরা,
আঁর দেশ- আঁর মেডে
বেগ্গুনেরতন সেরা।
আমরার বাড়ি মমিসিঙ্গ
আমরার বাড়ি মমিসিঙ্গ
গফরগাঁও থানা,
পল্লী কবির জন্মস্থান
হগল মাইনসের জানা।
ব্রম্মপুত্র নদের লগে
আমরার হুরু গাম
নানা রমের ফসল হোইনে
দেউলপাড়া নাম।
হেই অঞ্চলের মানুজনাইন
মনডা অয় খুবু সাদা,
তারা হগলে মিইল্যা থাহে
বাবা-নাতি-দাদা।
মোগো বাড়ি বরিশাল
মোগো বাড়ি বরিশাল
মোরা থাহি ডাহা,
মোগো লগে বাবা-মা
থাহে বইন মাহা।
মুই চালাই রিশকা আর
বাবায় চালায় ঠেলা,
দুইজনে কাম হরি
খাটি হারাবেলা।
মায় হরে ঝি’য়ের কাম
বাড়ি বাড়ি গিয়া,
মেলা সুখে আছি মোরা
হগলেরে নিয়া।
শরৎকাল
কাশবন ছেয়েছে
সাদা সাদা ফুল,
ঘ্রান নেই ফুলেতে
শোভাটাই মূল।
বাতাসে উড়ে যায়
ফুলেরা দূরে,
মানুষের মনটা
করে ফুরফুরে।
গ্রাম জুড়ে বয়ে গেছে
আঁকা-বাঁকা নদী,
ব্রম্মপুত্রের বুক চিরে
চলে নিরবধি।
আমার লেখার গুরু
পাঠ্য বইয়ের লেখা পড়ে
লেখালেখি শুরু,
বলতে গেলে কাজী নজরুল
আমার লেখার গুরু।
রুটির দোকান, লেটোর দল
এসব শুনে শুনে
তখন থেকেই ছড়া লিখি
মাত্রা গুনে গুনে।
প্রতিবাদের ভাষা ছিল
তাঁর কবিতা-গানে,
রব প্রদত্ত প্রতিভা সে
সকলেই তা জানে।
গুরুর কথা বললে কেউ
হয়না ছোট জানি,
সে কারণেই বিদ্রোহীকে
গুরু বলেই মানি।
যুগে যুগে কীর্তিমানরা
অমর সবার মাঝে,
দুখু মিয়া ছিল আছে
থাকবে সকল কাজে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...