শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন

/ ছড়া
বর্গি এলো খাজনা নিতে, মারল মানুষ কত। পুড়ল শহর, পুড়ল শ্যামল গ্রাম যে শত শত। হানাদারের সঙ্গে জোরে লড়ে মুক্তিসেনা, তাদের কথা দেশের মানুষ কখনো ভুলবে না। আবার দেখি নীল বিস্তারিত...
ঠিক মনে নেই, তখন বোধহয়, পাঁচ পেরিয়ে ছয়। চতুর্দিকে অচেনা সব গা ছমছম ভয় । মাঝেমধ্যে দাদার খাতা কলম নিয়ে খেলি, বাবা হেসে বলতো… আবার এইসব কোথায় পেলি? মনে আছে—
আকাশ আমায় শিক্ষা দিল উদার হতে ভাই রে, কর্মী হবার মন্ত্র আমি বায়ুর কাছে পাই রে। পাহাড় শিখায় তাহার সমান- হই যেন ভাই মৌন-মহান, খোলা মাঠের উপদেশে- দিল-খোলা হই তাই
ছাগল ছাগল করিসনে ভাই ছাগল বড় খতরনাক এই ছাগলের জ্ঞাতিগুষ্টি অতিসত্বর নিপাত যাক।   ছাগল খেলে পাগল হবি কেশ হবে সব ন্যাড়া জায়গা-জমি-জায়েদাদে খাবি ভীষণ প্যারা।   ছাড়তে হবে ব্যবসাপাতি
ছেলে আমার খুব ‘সিরিয়াস’, কথায়-কথায় হাসে না জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসে না। ইংলিশে ও ‘রাইমস’ বলে ‘ডিবেট’ করে, পড়াও চলে আমার ছেলে খুব ‘পজেটিভ’, অলীক স্বপ্নে ভাসে
চোখেও দেখা, হাতেও ধরা যায় না কোনো দিন তা, কেমন করে মাথায় ঢোকে এত রকম চিন্তা? কোথায় তাদের চাষ হল বা কোথায় যে উৎপত্তি খবরটুকু কেউ কোনো দিন পায় নিকো
পিঠে নিয়ে রিসার্চ করে পতিতপাবন শেঠ, এ বছরে’ই পাটনা থেকে পেলেন ‘ডক্টরেট’! আস্কে পিঠেয় ফোস্কা কেন, দেহে ক’শো গর্ত, কোথায় পিঠের জন্মভুমি… স্বর্গ নাকি মর্ত্য? পাটিসাপটা নাম’টাকে কে করলো আবিষ্কার,
উলঙ্গ এক রাজা এলেন হঠাৎ করে মাঠে কাছে পেয়ে মন্ত্রী-দালাল রাজার দু’পা চাটে। দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলো অবাক হয়ে ভাবে নেংটো হয়ে রাজামশাই আর কতদূর যাবে। কেউবা ভাবে কীসের পাপে চান