শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন

/ ছড়া
আমি হব সকাল বেলার পাখি সবার আগে কুসুম-বাগে উঠব আমি ডাকি। সূয্যিমামা জাগার আগে উঠব আমি জেগে, ‘হয়নি সকাল, ঘুমো এখন’- মা বলবেন রেগে। বলব আমি, ‘আলসে মেয়ে ঘুমিয়ে তুমি বিস্তারিত...
বাবুই পাখিরে ডাকি, বলিছে চড়াই- “কুঁড়ে ঘরে থেকে কর শিল্পের বড়াই; আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা ‘পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে।” বাবুই হাসিয়া কহে- “সন্দেহ কি তায় ?
এমন যদি হতো ইচ্ছে হলে আমি হতাম প্রজাপতির মতো নানান রঙের ফুলের পরে বসে যেতাম চুপটি করে খেয়াল মতো নানান ফুলের সুবাস নিতাম কতো । এমন হতো যদি পাখি হয়ে
গরু ডাকে হাঁসে ডাকে -ডাকে কবুতর গাছে ডাকে শত পাখি সারা দিনভর । মোরগের ডাক শুনি প্রতিদিন ভোরে নিশিরাতে কুকুরের দল ডাকে জোরে। দোয়েল চড়ুই ডাকে কিচির মিচির গান শুনি
বাঙালিরা স্বাধীনতার যোগ্য না নষ্টমাথার ভ্রষ্টগুলি হোক গোনা অন্যের পা চেটে-পুটে সুখ পায় মিথ্যে বলার অপবিত্র মুখ পায় বাঙালিরা পেলে উষ্টা-লাথি সে হয়ে ওঠে গর্বিত এক জাতি সে পরের কথায়
দশরথের রথ দেখিনি কিংবা রানী-পুত্র তাঁদের কথা জানতে আছে ইতিহাসই সূত্র ইতিহাসে সব লেখা নেই আড়াল আছে কিছু গবেষকের মন ছুটে যায় জানতে তাদের পিছু অযোধ্যাতে হয়নি যাওয়া পাহাড় অযোধ্যাতে
ঘাস পাতা বিচালি গরু খায় জাবনা দিন রাত চিন্তিত শেষ নাই ভাবনা। গরু গরু মোষ তোরা কেন অবলা রে এ তোদেরই দোষ! আছে শিং তারপরও মানছিস পোষ, মালিকের ঠেঙানিতে মিছে
কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে ফুল ফুটেছে লালে লালে। বসন্তের এই ভোরের বেলা পাখ-পাখালি করে খেলা। শিক্ত শিশির আর ঝরে না মাঠে কৃষক আর ঘরে না। কোকিল মধুর গান ধরেছে ফুল বাগানে