শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন

/ ছড়া
শামসুর রাহমান নামে এক কবি কবিতার দেশে তিনি উজ্জ্বল রবি। তাঁর নামে, তাঁর গুণে দেশ গর্বিত তাঁকে পেয়ে সাধারণ জনগণ প্রীত। বাংলার গাছপালা তরুলতা যত তাঁর নামে, তার ধ্যানে থাকে বিস্তারিত...
১. তুমি না হয় শ্রাবণ চেন, আমি চিনি বর্ষা আমি হলাম শ্যামলা গোছের তুমি না হয় ফর্সা কফিশপে বৃষ্টি দেখে কী লাভ বলো গল্প লেখে তারচে’ চলো হাঁটতে থাকি একটা
আমার একটা নদী আছে বলব পরে নাম– হাজার ভালোবাসা নিয়ে বয় সে অবিরাম ভালোবাসার সঙ্গে যাচ্ছে গান-কবিতাগুলি আঁকতে ছবি আকাশ পাঠায় রামধনুকের তুলি। দুপাড়ে তার কাশের বাগান হাওয়া মেখে মেখে
আমি হব সকালবেলার পাখি সবার আগে কুসুমবাগে উঠব আমি ডাকি। সূয্যিমামা জাগার আগে উঠব আমি জেগে, ‘হয়নি সকাল, ঘুমো এখন’–মা বলবেন রেগে। বলব আমি, ‘আলসে মেয়ে ঘুমিয়ে তুমি থাকো, হয়নি
বিউটি পাল বিউটিফুল আধমরাদের ভাঙতে ভুল। জরাগ্রস্ত যারা ত্রস্ত মনুষ্যত্বহীন ফুরাক তাদের দিন! ‘গানও হবে, নাচও নইলে কেন বাঁচো? মড়ার মতো এ প্রাণ নিয়ে সত্যি, বেঁচে আছ?’ তোমার কথা মুদ্রিত
জল ঝরে জল ঝরে সারাদিন সারারাত- অফুরান নামতায় বাদলের ধারাপাত। আকাশের মুখ ঢাকা, ধোঁয়ামাখা চারিধার, পৃথিবীর ছাত পিটে ঝমাঝম বারিধার। স্নান করে গাছপালা প্রাণখোলা বরষায়, নদীনালা ঘোলাজল ভরে ওঠে ভরসায়।
মেঘ বলল, উঠে দাঁড়াও, রোদ বলল, বসতে, মা বলল, সকাল সকাল অঙ্কগুলো কষতে।   গাছ বলল, ঝড় উঠবে দাঁড়িয়ে কেন বাইরে, আচার চুরির মতন মজা আর কিছুতেই নাই রে।  
সফদার ডাক্তার মাথাভরা টাক তার খিদে পেলে পানি খায় চিবিয়ে, চেয়ারেতে রাতদিন বসে গোণে দুই-তিন পড়ে বই আলোটারে নিভিয়ে। ইয়া বড় গোঁফ তার, নাই যার জুড়িদার শুলে তার ভুঁড়ি ঠেকে